August 9, 2026, 8:41 am

ময়মনসিংহ মহানগরীতে পতিতালয়ে পতিতাবৃত্তিতে বেশীর ভাগ কিশোরী

ময়মনসিংহ মহানগরীতে পতিতালয়ে পতিতাবৃত্তিতে বেশীর ভাগ কিশোরী

ময়মনসিংহ শহরের পতিতালয়ে পতিতাবৃত্তিতে কিশোরীরা নিয়োজিত আছে বলে অভিযোগ রয়েছে । অপরদিকে কিশোরাও খদ্দের হয়ে পতিতালয়ে প্রবেশ করে হারাচ্ছে উজ্জ্বল ভবিষৎ । হচ্ছে মাদকাসক্ত। এখানে ৪২ হকার দেশীয় মদ বিক্রি করেন। যা বর্তমানে বন্ধ আছে। এক শ্রেণীর দালাল পারিবারিক আর্থিক দৈন্যতার সুযোগ নিয়ে অথবা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কৌশলে মেয়ে এনে পতিতালয়ে বিক্রি করে দিচ্ছেন । জহুরা ও আসলাম মেয়েসহ ডিবি পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিল।
সামাজিক ঘৃণা বা লোক লজ্জ্বার ভয়ে পতিতাবৃত্তিতে জড়িত কিশোরী ও শিশুরা প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছে না। এই শিশুদের এখান থেকে উদ্ধার এবং সমাজের চক্ষুসূল থেকে পরিত্রানের দাবী করেছেন ময়মনসিংহের বিভিন্ন সামজিক সংগঠন ।
জানা যায়, গণপ্রধাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮নং অনুচ্ছেদের ২নং উপ-অনুচ্ছেদ অঙ্গীকার করা হয়েছে যে, রাষ্ট্র পতিতাবৃত্তি নিরোধের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। ৪০নং অনুচ্ছেদ মতে আইনের দ্বারা আরোপিত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে কোনো পেশা বা বৃত্তি গ্রহণের দ্বারা কোনো যোগ্যতা নির্ধারণ হয়ে থাকলে অনুরূপ যোগ্যতা সম্মান প্রত্যেক নাগরিকের যে কোনো আইন সংক্রান্ত পেশা বা বৃত্তি গ্রহণের অধিকার থাকবে।
উপরে উল্লিখিত সংবিধানের দুটি অনুচ্ছেদ মতে, পতিতাবৃত্তি একদিকে রাষ্ট্র, নিরোধ করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং এটি একটি অনৈতিক পেশা ও বৃত্তি। রাষ্ট্র যেখানে এটা নিরোধের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা উল্লেখ করেছে সে ক্ষেত্রে কোনো নারী বা মেয়ে পতিতাবৃত্তি করার জন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সমানে হলফনামা সম্পাদন করতে পারে না । ফলে তারা নোটারী পাবলিকে এফিডিভিট করে থাকেন।
শিশু অধিকার আইন ১৯৭৪-এর ১৭ ধারায় এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতে শিশু অধিকার সনদ ১৯৮১ এবং অনুচ্ছেদ ১৯, ৩৪ এ মেয়ে শিশুদের সুরক্ষার কথা উল্লেখ রয়েছে। আইনে উল্লেখ রয়েছে, ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের বালিকাদের যদি পতিতালয়ে পতিতাবৃত্তির জন্য রাখা হয় তাহলে সেটাও আইন মতে উল্লেখযোগ্য অপরাধ।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরের প্রান কেন্দ্রে পতিতাপল্লীতে যেমনি রয়েছে মাদকের হাট, তেমনি কিশোরী বা শিশুর সংখাও কম নয়। প্রায় ৫ শ পতিতার মধ্যে ৫০ জনই সর্দারনী। তাদের কাছেই জিন্মী রয়েছে বাকি সব মেয়েরা। তাদের দেহদানের উপার্জিত অর্থ চলে যায় সর্দারনীদের হাতে। বাকিরা দেহ দেয় আর দুবেলা খাবার পান। কত অমানবিক জীবন যাপন করে তারা। স্থানীয় প্রশাসন এদের কোন খোঁজ খবর নেয় না। এনজিও গুলোও পালন করে দায়সারা দায়িত্ব। ফলে পতিতাপল্লীতে আটক থাকা প্রায় ৩ শ মেয়ে অন্ধকার নরক পল্লী ছাড়া বাহিরের দুনিয়ার আলো দেখতে পারে না

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2020 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com